সোমবার, ১৫ Jun ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন

News Headline :
পাবনা থানা পুলিশের চেকপোস্ট পরিচালনা সরকারি কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড: বিভাগীয় কমিশনার মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এটি কর্মচারীদের কল্যাণে নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা যেকোনো সংকটময় পরি¯ি’তিতে তাদের পাশে দাঁড়ায়। সোমবার সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত “বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সেবা সম্পর্কে অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারি কর্মচারীরা তাদের মাসিক বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা রাখেন। সাধারণত কেউ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা না করলেও জটিল বা দীর্ঘ¯’ায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে আর্থিক সংকটে পড়লে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডই তাদের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে। তিনি জানান, গত এক বছরে রাজশাহী বিভাগে প্রায় সাত হাজার সরকারি কর্মচারী বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহায়তা পেয়েছেন। ন্যায়সঙ্গত সুযোগ (ইক্যুইটি) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় সুযোগ-সুবিধার তুলনায় রাজশাহীসহ দূরবর্তী অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ও লজিস্টিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই নীতিমালা প্রণয়ন ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনে এসব এলাকার কর্মচারীদের জন্য আরও সংবেদনশীল ও যৌক্তিক সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। ড. বজলুর রশীদ আরও জানান, রাজশাহীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে সরকারি কর্মচারীরা স্বল্প ব্যয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ওপর রোগীর বিদ্যমান চাপও কমবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের পেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং ভবিষ্যতে পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমাতে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের নির্ধারিত মেডিকেল কমিটির সনদ গ্রহণের বিষয়টি সবাইকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন এবং মোঃ জামিরুল ইসলাম। কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। নওগাঁর বদলগাছীতে ধান বোঝাই ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধার মৃত্যু পাবনায় আওয়ামী দোষর ছাত্রহত্যা মামলার আসামী পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ আশে পাশের অফিসগুলো নিয়ন্ত্রন করছেন রাজশাহী নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী গ্রেফতার-৩ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ দুবাইতে গ্রেফতার  পাবনার আতাইকুলায় ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তের বাড়ি দোকানঘরে আগুন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন পাবনা  ঈশ্বরদীর ৬ জনসহ জেলার মাদকবিরোধী ও বিশেষ অভিযানে ১১ জন গ্রেপ্তার পাবনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালী লিফলেট বিতরণ পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রশিক্ষণ পেলে নারীরা আর পিছিয়ে থাকবে না: ভূমিমন্ত্রী মিনু

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সভাপতি জাফর সম্পাদক ইমন

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সভাপতি জাফর সম্পাদক ইমন

Reading Time: < 1 minute

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকা:

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি-সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বাংলা পোর্টালের সম্পাদক ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর। সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি আলী আজগর ইমন। শনিবার ২৫ এপ্রিল দুপুর ২টায় সংগঠনের এক ভার্চুয়াল সবশেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সভায় দেশের বিভিন্ন এলাকার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। সারাদেশে অব্যাহত সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষের অংশগ্রহণে শীঘ্রই এ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে। সাংবাদিক নির্যাতন মুক্ত আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সহযোগী সংগঠন হিসেবে এ সংগঠনটি মাঠে কাজ করবে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা কালীন সময়ে দেশে অব্যাহত সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি পেলে এ সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। এর পর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু শাখা কমিটি গঠন করে সংগঠিত করা হয়। সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ভার্চুয়াল মিটিংয়ে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হলে সভাপতি ও সম্পাদক মনোনীত করার মধ্য থেকে বাকি পদগুলো দ্রুত গঠন করা হবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ কমিটিতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি আইনজীবী, ইমাম, পুরোহিত, চিকিৎসক, শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, নারী নেত্রী, ছাত্র নেতা, এনজিও প্রতিনিধি, আইটি বিশেষজ্ঞ, শ্রমিক নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা সম্পৃক্ত হবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

সরকারি কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড: বিভাগীয় কমিশনার মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এটি কর্মচারীদের কল্যাণে নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা যেকোনো সংকটময় পরি¯ি’তিতে তাদের পাশে দাঁড়ায়। সোমবার সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত “বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সেবা সম্পর্কে অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারি কর্মচারীরা তাদের মাসিক বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা রাখেন। সাধারণত কেউ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা না করলেও জটিল বা দীর্ঘ¯’ায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে আর্থিক সংকটে পড়লে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডই তাদের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে। তিনি জানান, গত এক বছরে রাজশাহী বিভাগে প্রায় সাত হাজার সরকারি কর্মচারী বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহায়তা পেয়েছেন। ন্যায়সঙ্গত সুযোগ (ইক্যুইটি) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় সুযোগ-সুবিধার তুলনায় রাজশাহীসহ দূরবর্তী অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ও লজিস্টিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই নীতিমালা প্রণয়ন ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনে এসব এলাকার কর্মচারীদের জন্য আরও সংবেদনশীল ও যৌক্তিক সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। ড. বজলুর রশীদ আরও জানান, রাজশাহীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে সরকারি কর্মচারীরা স্বল্প ব্যয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ওপর রোগীর বিদ্যমান চাপও কমবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের পেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং ভবিষ্যতে পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমাতে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের নির্ধারিত মেডিকেল কমিটির সনদ গ্রহণের বিষয়টি সবাইকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন এবং মোঃ জামিরুল ইসলাম। কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

সরকারি কর্মচারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড: বিভাগীয় কমিশনার মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এটি কর্মচারীদের কল্যাণে নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা যেকোনো সংকটময় পরি¯ি’তিতে তাদের পাশে দাঁড়ায়। সোমবার সকালে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত “বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সেবা সম্পর্কে অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারি কর্মচারীরা তাদের মাসিক বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা রাখেন। সাধারণত কেউ অনুদান পাওয়ার প্রত্যাশা না করলেও জটিল বা দীর্ঘ¯’ায়ী রোগে আক্রান্ত হয়ে আর্থিক সংকটে পড়লে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডই তাদের অন্যতম ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে। তিনি জানান, গত এক বছরে রাজশাহী বিভাগে প্রায় সাত হাজার সরকারি কর্মচারী বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহায়তা পেয়েছেন। ন্যায়সঙ্গত সুযোগ (ইক্যুইটি) নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় সুযোগ-সুবিধার তুলনায় রাজশাহীসহ দূরবর্তী অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা ও লজিস্টিক বাস্তবতা ভিন্ন। তাই নীতিমালা প্রণয়ন ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনে এসব এলাকার কর্মচারীদের জন্য আরও সংবেদনশীল ও যৌক্তিক সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। ড. বজলুর রশীদ আরও জানান, রাজশাহীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি পৃথক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে সরকারি কর্মচারীরা স্বল্প ব্যয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর ওপর রোগীর বিদ্যমান চাপও কমবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের পেনশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং ভবিষ্যতে পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমাতে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের নির্ধারিত মেডিকেল কমিটির সনদ গ্রহণের বিষয়টি সবাইকে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জাকিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খন্দকার মোঃ শামীম হোসেন এবং মোঃ জামিরুল ইসলাম। কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

Design & Developed BY Hostitbd.Com